হাড়কাঁপানো শীতে কাঁপছে ডিমলা: দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় জনজীবন বিপর্যস্ত

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, আজ ডিমলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে **১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস**। তবে বিপত্তি বেঁধেছে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নিয়ে। আজ সারাদিন সূর্যের দেখা না মেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল মাত্র **১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস**।
সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রার ব্যবধান কমে আসায় এবং হিমেল বাতাসের কারণে তীব্র কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। দিনভর কুয়াশার দাপটে আকাশ ছিল মেঘলা, যার ফলে দুপুরের দিকেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। ভোরে কাজের সন্ধানে বের হওয়া দিনমজুর, রিকশাচালক ও কৃষি শ্রমিকরা প্রচণ্ড ঠান্ডায় থমকে গেছেন। যত্রতত্র খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে অনেককে।
* **বিপর্যস্ত দিনমজুরি:** কুয়াশা আর ঠান্ডার কারণে মাঠে কাজ করা দুরূহ হয়ে পড়েছে।
* **পরিবহন সংকট:** দৃষ্টিসীমা কমে আসায় সড়কে যান চলাচল ধীরগতিতে চলছে।
* **স্বাস্থ্য ঝুঁকি:** শীতজনিত রোগের প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা সর্দি, কাশি এবং শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হচ্ছেন।
ডিমলার স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, "সকাল থেকে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। বাতাসের ঝাপটায় হাত-পা বরফ হয়ে আসছে। এমন অবস্থায় ঘর থেকে বের হওয়া দায় হয়ে পড়েছে।"
আবহাওয়া পূর্বাভাস বলছে, কুয়াশার এই দাপট আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে শীতবস্ত্র বিতরণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।





















